কাঁদছে ব্রাজিল। কাঁদছে দুনিয়াব্যাপী সাম্বার অনুরাগীরা। সুন্দরীতমা, তুমিও কাঁদছো। সবাইকে ছাপিয়ে কেন জানি তোমার কান্নাটাই আমার বুকে সমুদ্রের ঢেউ হয়ে আছড়ে পড়ছে। আমি একটুও সইতে পারছি না। কেন পারছি না। জানি না। তোমাকে আমি চিনি না। তোমার নামও জানি না। এ কারণে সুন্দরীতমা বলেই তোমাকে সম্বোধন করলাম। রাগ করো না কিন্তু। আমি তো যা হোক তোমাকে এক পলক হলেও দেখতে পেয়েছি। দেখেছি তোমার মুখ। তোমার অভিব্যক্তিও। কি সুন্দর করে তুমি সেজে এসেছো। তোমার বাহারি ক্যাপ, তোমার কানের দুল, তোমার গলার চেইন, তোমার সোনালি চুল, তোমার কাজলটানা ভ্রু, তোমার লিপষ্টিক রাঙানো ওষ্ঠজোড়া তোমাকে করে তুলেছে আকর্ষক। তুমি যেন হলুদ, সবুজ আর নীল রঙের একটুকরো রঙধনু। তুমি যেন ব্রাজিলের জাতীয় পতাকা। তোমাকে দেখে মনে হচ্ছে, আমি যেন ভালোবাসার ব্রাজিলকে দেখতে পাচ্ছি। তোমার গণ্ডদেশ বেয়ে গড়িয়ে পড়া অশ্রুতে অনুধাবন করতে পারছি ব্রাজিলের মর্মযাতনাও। তোমার ঠোঁটে, তোমার চিবুকে, তোমার মুখাবয়বে যে কষ্ট, যে যন্ত্রণা, যে বেদনার প্রতিচ্ছবি, তাতে স্পষ্ঠ হয়ে উঠেছে স্বপ্ন ভঙের মর্মস্পর্শী যাতনা। আমি তোমার মর্মবেদনা বুঝতে পারলেও তুমি তো আমাকে একদমই জানতে ...
১৯৭৭ সাল থেকে প্রকাশিত পাক্ষিক ‘ক্রীড়াজগত’ পত্রিকার পুরানো সংখ্যাসহ ক্রীড়া্ঙ্গনের বিভিন্ন তথ্য পাওয়া যায় ফেসবুকের A nostalgic journey to Bangladesh sports-এ।
উত্তরমুছুন