ড. আনিসুজ্জামান জাতীয় জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে তাঁর উপস্থিতি অনিবার্য। সংগ্রামে, সংশয়ে, সংকটে, সম্ভাবনায়। তিনি আছেন। না, রাজনীতি তাঁর বিষয় নয়। সাহিত্যে তাঁর অনুরাগ। কিন্তু তিনি এড়াতে পারেন না পারিপার্শ্বিকতাকে। তাঁর বোধ-বুদ্ধি, বিবেক তাঁকে নিয়ে আসে জনতার সারিতে। সময়ের সঙ্গে অগ্রসর মানুষ ড. আনিসুজ্জামান। ড. আনিসুজ্জামানের জন্ম কলকাতায়। ১৯৩৭ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি। দেশ বিভাগের পর চলে আসেন খুলনায়। শৈশব থেকেই তিনি শিল্প-সাহিত্যের অনুকূল হাওয়ায় মানুষ। শৈশবকাল সম্পর্কে ড. আনিসুজ্জামান বলেন, ‘কলকাতায় পারিবারিক সূত্রে অনেক লেখক, সাংবাদিককে দেখা এবং তাঁদের সঙ্গে মেশার সুযোগ হয়। এঁদের মধ্যে ড. মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ, কাজী আব্দুল ওদুদ, জসিমউদ্দিন, আবুল কালাম শামসুদ্দীন, বেনজীর আহমদ, জয়নুল আবেদীন, সুফিয়া কামাল, আহসান হাবীব, রোকনুজ্জামান খান, সিরাজউদ্দিন হোসেন, ফজলুল হক শেলবর্ষী, মোহাম্মদ মোদাব্বের উল্লেখযোগ্য। আমি কবি আহসান হাবীবের বিশেষ স্নেহ লাভ করি। আমরা তখন দৈনিক আজাদের মুকুলের মাহফিলের সদস্য এবং শিল্পী কামরুল হাসানের সর্বাধিনায়কত্বে গড়ে ওঠা মুকুল ফৌজে যোগ দিয়েছিলাম। আমি পার্ক সার্কাস হ...
১৯৭৭ সাল থেকে প্রকাশিত পাক্ষিক ‘ক্রীড়াজগত’ পত্রিকার পুরানো সংখ্যাসহ ক্রীড়া্ঙ্গনের বিভিন্ন তথ্য পাওয়া যায় ফেসবুকের A nostalgic journey to Bangladesh sports-এ।
উত্তরমুছুন