কাজী আনোয়ার হোসেন চারপাশের হল্লা থেকে নিজেকে গুটিয়ে রেখেছেন তিনি। একান্তে নিজেকে নিয়ে সৃষ্টি করেছেন নিভৃতে নিজস্ব এক জগত। কে কি বললো, তা তিনি কেয়ার করেন না। আড়ালে থেকে কাজ করতে পছন্দ করেন। তবে যা বলেন স্পষ্ট ও সরাসরি। এ কারণে তাঁর পক্ষেই নির্দ্বিধায় বলা সম্ভবÑ ‘যেমনটি আছি, যে কাজ করছি, তাতে আমি সন্তুষ্ট। এর চেয়ে বেশি কিছু করতে পারতাম বলে মনে হয় না। আমার পক্ষে যা সম্ভব, তাই করেছি। আমার কোনো অভিযোগ নেই।’ ৫৪ বছর বয়সেও উচ্ছল কিশোরের মতো বললেন : আমার ছেলেমানুষী আজও কাটাতে পারলাম না। একটা বয়সে আমি থেমে আছি। আর বোধহয় ‘বড়’ হতে পারবো না। আমিও আর বড় হতে চাই না। যেমন আছি, ভালো আছি। সবাই তো আর বড় হতে পারে না। যাই হোক, নিজেকে লুকিয়ে রাখতে পারলেও নিজের খ্যাতি ও সাফল্যকে আড়াল করতে পারেননি। তিনি কাজী আনোয়ার হোসেন। মাসুদ রানা, কুয়াশা ও সেবা প্রকাশনীখ্যাত কাজী আনোয়ার হোসেনের পরিচয় ও প্রতিভা অনেক ক্ষেত্রে বিস্তৃত। সেসব টেনে এনে লাজুক, অন্তর্মুখী কাজী আনোয়ার হোসেনকে বিব্রত করার কোনো মানে হয় না। বরং তাঁর সঙ্গে কথা বলা যাক। নিজের কাজ সম্পর্কে তিনি বলেন, আমি মনে করি আমার কাজের মাধ্যমে সমাজকে আমি এগিয়ে নিচ্...
১৯৭৭ সাল থেকে প্রকাশিত পাক্ষিক ‘ক্রীড়াজগত’ পত্রিকার পুরানো সংখ্যাসহ ক্রীড়া্ঙ্গনের বিভিন্ন তথ্য পাওয়া যায় ফেসবুকের A nostalgic journey to Bangladesh sports-এ।
উত্তরমুছুন